Mix doesn't support your web browser. For a better experience, we recommend using another browser.
@santomondol
santo mondol
bangla tv.চায়না #সার্কাস, শিল্পকলা একাডেমীর নিজেস্ব #এক্রোভেটিক গ্রুপের #প্রদর্শনী।বাংলাদেশী সন্তানbangla tv is your own channel.চায়না #সার্কাস, শিল্পকলা একাডেমীর নিজেস্ব #এক্রোভেটিক গ্রুপের #প্রদর্শনী।বাংলাদেশী সন্তান।বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর নিজেস্ব এক্রোভেট গ্রুপের প্রদর্শনী।শিল্পকলা একাডেমী কর্তৃক আয়োজিত বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক উৎসব-২০২০ উপলক্ষে ২১দিন ব্যাপী সাস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয় শিল্পকলা একাডেমী ঢাকাতে। মুজিববর্ষ-২০২০ উপলক্ষে প্রতিটি জেলা শিল্পকলা একাডেমীর প্রতিযোগীতা মুল্যক এ উৎসব এলাকার ইতিহাস,এতিহ্য ও সাংস্কৃতিকে তুলে ধরা হয়। দেশের গুনী শিল্পি তারকাদের মিলন মেলা এ সাংস্কুতিক উৎসব। চলুন উপভোগ সার্কাস নৈপুনতা।
bangla tv. pulok ghatokbangla tv is your own channel.“শারি” মানবাধিকার সংস্থার সংলাপে ইবাইস ইউনিভার্সিটির ভিসি প্রফেসর মোহাম্মদ আহসান উল্লা।দলিত ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে সরকারের ষ্টাডিং কমিটিতে অংশগ্রহন“শারি“ উন্নয়ন সংস্থ্যার সংলাপ। 11.12.2019 পরিকল্পনা উন্নয় একাডেমির প্রীতিলতা অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত সংলাপ দলিত জনগোষ্ঠির উদ্দেশ্যে গৌতম কুমার এদবর, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনাতা পার্টি(বিএমজেপি)। মানবাধিকার সংস্থ্যা শারি এর উদ্দ্যোগে ইউএনডিপি এর অর্থয়ানে দলিত শ্রেনীল উন্নয়নে কাজ করে ঋষি ও হরিজন দের উন্নয়ন করে যাচ্ছে। শারি সংস্থ্যাটি 1992 সাল থেকে দলিতদের উন্নয়নে কাজ করে তাদের জীবন মান উনয়নে অগ্রনী ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে। সংলাপে প্রধান অতিথি - শেখ এ্যনি রহমান এমপি, সংরক্ষিত নারী আসন-১৯, বিশেষ অতিথি-প্রফেসর মোহাাম্মদ আহসান উল্লাহ, ভাইস চ্যান্সেলর,ইবাইস ইউনিভার্সিটি, ঢাকা, বিশেষ অতিথি-ড.মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম, মহাপরিচালক, খাদ্য অধিদপ্তর।বিশেষ অতিথি-ইউএনডিপি প্রতিনিধি, বিশেষ অতিথি পুলক ঘটক, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন্। সংলাপে দলিত ও অনগ্রসর দের উন্নয়রেন স্থানীয় সরকারের স্ট্যাডিং কমিটিতে অংশগ্রহন করে মুল ধারায় সকলকে সমান অংশগ্রহনের সুযোগ দানের লক্ষ্য ও বাস্তবায়ন কামনা করা হয়।সংলাপ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ড.এম গুল হোসেন, ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক, শারি, সঞ্চালনা প্রিতিলতা বিশাস।
1
iva paulbangla tv is your own channel.“শারি” মানবাধিকার সংস্থার সংলাপে ইবাইস ইউনিভার্সিটির ভিসি প্রফেসর মোহাম্মদ আহসান উল্লা।দলিত ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে সরকারের ষ্টাডিং কমিটিতে অংশগ্রহন“শারি“ উন্নয়ন সংস্থ্যার সংলাপ। 11.12.2019 পরিকল্পনা উন্নয় একাডেমির প্রীতিলতা অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত সংলাপ দলিত জনগোষ্ঠির উদ্দেশ্যে গৌতম কুমার এদবর, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনাতা পার্টি(বিএমজেপি)। মানবাধিকার সংস্থ্যা শারি এর উদ্দ্যোগে ইউএনডিপি এর অর্থয়ানে দলিত শ্রেনীল উন্নয়নে কাজ করে ঋষি ও হরিজন দের উন্নয়ন করে যাচ্ছে। শারি সংস্থ্যাটি 1992 সাল থেকে দলিতদের উন্নয়নে কাজ করে তাদের জীবন মান উনয়নে অগ্রনী ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে। সংলাপে প্রধান অতিথি - শেখ এ্যনি রহমান এমপি, সংরক্ষিত নারী আসন-১৯, বিশেষ অতিথি-প্রফেসর মোহাাম্মদ আহসান উল্লাহ, ভাইস চ্যান্সেলর,ইবাইস ইউনিভার্সিটি, ঢাকা, বিশেষ অতিথি-ড.মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম, মহাপরিচালক, খাদ্য অধিদপ্তর।বিশেষ অতিথি-ইউএনডিপি প্রতিনিধি, বিশেষ অতিথি পুলক ঘটক, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন্। সংলাপে দলিত ও অনগ্রসর দের উন্নয়রেন স্থানীয় সরকারের স্ট্যাডিং কমিটিতে অংশগ্রহন করে মুল ধারায় সকলকে সমান অংশগ্রহনের সুযোগ দানের লক্ষ্য ও বাস্তবায়ন কামনা করা হয়।সংলাপ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ড.এম গুল হোসেন, ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক, শারি, সঞ্চালনা প্রিতিলতা বিশাস।
3
bangla tv. #দিপান্বিতা#এদবর #পূজা এ কি করলো নদী বক্ষে?পানখালী ফেরীঘাটে রানা রিসোর্ট সুন্দর একটি নাচ।bangla tv is your own channel.#দিপান্বিতা #এদবর #পূজা পানখালী ফেরীঘাটে নদীর তীরে কি করলো? খুলনার বটিয়াঘাটা পানখালী ফেরী ঘাটে নতুন প্রতিষ্ঠিত হলো রানা রিসোর্ট নামে একটি রিসোর্ট সেন্দার। বটিয়াঘাটা নদীর তীরে রানা রিসোর্ট এর সম্মুখে নদীর তীরে মনোরম ও সুন্দর পরিবেশে একটি নাচ। দিপান্বিতা এদবর পূজা সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী। পরীক্ষা শেষে মা বাবার সাথে ভ্রমনে যায় খুলনার বটিয়াঘাটা অঞ্চলে রানা রিসোর্টে। রানা রিসোর্ট এর সামনে থেকে বয়ে চলছে নদী । পরন্ত বিকেল মেঘছন্ন আকাশ। নদীর তীরে একটি নাচের দৃশ্য ক্যামেরা বন্দী করা হলো। চলুন দেখে আসি দিপান্বিতা এদবর পূজার নাচের দৃশ্য।
7
bangla tv. #সুন্দরী মেয়ে হাজার নামে পাগোল হইয়া খুজি আমি আগুনের হিয়া,#পায়েল ত্রিপুরার কন্ঠে লালন গীতিbangla tv is your own channel.#সুন্দরী মেয়ে হাজার নামে পাগোল হইয়া খুজি আমি আগুনের হিয়া,#পায়েল ত্রিপুরার কন্ঠে লালন গীতি।পার্বত্য মেলা-২০১৯ এর সমাপনীতে মঙ্গল নৃত্য।পার্বত্য মেলা বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে সাওতাল নৃত্য।ঢাকায় শিল্পকলা একাডেমিতে 08.12.19 অনুষ্ঠিত পার্বত্য মেলা-২০১৯ এর সমাপনী দিনে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উপস্থিতে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধার আয়োজন করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে পাহাড়দের পরিচালনা পাহাড়ীদের গানে নৃত্য পরিবেশন করেন মারমা উপজাতি ‍নৃগোষ্ঠি। চলুন সকলে দেখে আসি পাহাড়ী উপজাতি মেয়ের গান।
3
bangla tv হরিনামে মাতোয়ার মতুয়া মহোৎসব।bangla tv is your won channel. শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর ১৮১২ খ্রিস্টাব্দের ১১ই মার্চ অবিভক্ত বাংলার গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার অন্তর্গত ওঢ়াকাঁন্দির পার্শ্ববর্তী সফলাডাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর মাতা-পিতার নাম অন্নপূর্ণা ও যশোমন্ত বৈরাগী।হরিচাঁদ ঠাকুরের জীবনী নিয়ে কবি রসরাজ তারক চন্দ্র সরকার শ্রীশ্রীহরিলীলামৃত নামক গ্রন্থটি রচনা করেন। হরিচাঁদ ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার সফলাডাঙ্গা গ্রামে ১৮১২ খ্রীষ্টাব্দে এবং মৃত্যুবরণ করেন ১৮৭৮ খ্রীষ্টাব্দে।গুরুচাঁদ ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন ১৮৪৪খ্রীষ্টাব্দেএবং মৃত্যুবরণ করেন ১৯৩৭খ্রীষ্টাব্দে।১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু হয়,অর্থাৎ বাংলায় স্থায়ীভাবে জমিদারী শাসনের সূত্রপাত হয়।আর তার ১৯ বছর পর জন্মগ্রহণ করেন হরিচাঁদ ঠাকুর।আর ভারত স্বাধীন হওয়ার ১০ বছর আগে মৃত্যুবরণ করেন গুরুচাঁদ ঠাকুর।এই সময়টাকে আমরা বিশেষ ভাবে খেয়ালে রাখব।ভারতে ব্রিটিশ শাসনের এই যুগে ব্রাক্ষ্মণ্যধর্মের অত্যাচারে হিন্দুধর্মের যখন নাভিশ্বাস উঠছে,ব্রাক্ষ্মণদের অত্যাচারে হিন্দুরা জর্জরিত হচ্ছে এবং অনেক হিন্দুই ব্রাক্ষ্মণদের এই দুর্বিষহ অত্যাচার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলমান হয়ে যাচ্ছে,এইরকম অবস্থায় হিন্দুদের এই ধর্মান্তরকরণ নতুন মাত্রা পেয়ে দ্রুত প্রসার লাভ করতে শুরু করল ব্রাক্ষ্মণ পন্ডিতদের ঘোষিত একটি বিধান দ্বারা।ব্রাক্ষ্মণ্য বিধানের ফলে গ্রামকে গ্রাম হিন্দু মুসলমান হয়ে যেতে লাগল।ফলে একদিকে ব্রাক্ষ্মণ আর অন্যদিকে মুসলমান –এই দুইদিকের যাঁতাকলে পড়ে হিন্দুরা যখন বাংলায় নিশ্চিহ্ন হতে বসেছিল,ঠিক তেমনি এক সঙ্কটজনক সময়ে হিন্দু ধর্ম-সভ্যতা-সংস্কৃতির মুক্তিদূত হিসেবে আবির্ভূত হলেন হরিচাঁদ ঠাকুর।তিনি সমগ্র হিন্দু সমাজকে ব্রাক্ষ্মণ ও তাদের বিধান বর্জন করার ডাক দিলেন।তিনি বললেন,ব্রাক্ষ্মণ ও তার রচিত শাস্ত্র ও বিধান,জাতপাত হিন্দু ধর্মের দুশমন।হিন্দুদের শোষণ ও ধ্বংস করার জন্যই ব্রাক্ষ্মণরা এগুলো তৈরি করেছে।তিনি সমগ্র হিন্দু সমাজকে ব্রাক্ষ্মণ্য শাস্ত্র-বিধিবিধান-জাতপাত ত্যাগ করে একত্র হওয়ার ডাক দিলেন এবং সকলকে নিয়ে একত্রে পংক্তিভোজন করালেন -এই পংক্তিভোজনে সবাই যোগ দিলেন, এমনকি যেসব হিন্দু মুসলমান হয়েছিলেন তারাও। ফলে বৃহৎ হিন্দু সমাজ তাঁর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হলো-সকল জাতপাতের বেড়া ভেঙ্গে ও ব্রাক্ষ্মণ্য-বিধানকে আস্তাকুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে।তিনি ব্রাক্ষ্মণ ও ব্রাক্ষ্মণ্যধর্মকে হিন্দুধর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন করলেন এবং ব্রাক্ষ্মণ্যধর্মের প্রভুত্ব ও আধিপত্যকামীতা থেকে হিন্দুদেরকে মুক্ত করলেন এবং এদেরকে ব্রাক্ষ্মণদের থেকে আলাদা বলে ঘোষণা করলেন-
3